কানের কাছে তিন চারটা মশা অনেকক্ষন থেকে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে বেড়াচ্ছে।

আমি চড় দিচ্ছি না, পাছে চটকনাটা আবার নিজের কানের উপর পড়ে। ধৈর্য বৎস … ধৈর্য…।

একটার গান দেখলাম একটু বেসুরো হয়ে গেল হঠাত করে। জেট প্লেনের মত গোত্তা খেয়ে আমার কনুইয়ের দিকে আগাচ্ছে আর ভোঁ…ও ও ও পিন পিন… শব্দ। আক্রমনের পূর্ব প্রস্তুতি।

ব্যাটা মাতাল নাকি? আমি যে আরেক হাত তুলে তৈরি সেদিকে খেয়ালই নেই। স্ট্রাটেজিক ভাবে কামড় দিতে দেব… তারপরই সপাট… মু হা হা হা…।

আমি তৈরি… সকল মনোযোগ মশার ফ্লাইট প্লানের দিকে…। দিলাম… দিলাম… চপাট…।

এই সময় নিলিম পেছন থেকে সজোরে পিঠে চাপড় দিল, ” কিরে … এরকম মূর্তির মত ভঙ্গি করে বসে আছিস কেন?”

শত্রু পক্ষ এই সুযোগে পালিয়ে গেল… একটা পরিকল্পিত অ্যামবুশ মিস করে আমি আমার হাতের কবজি সজোরে নামিয়ে আনলাম নিলিমের গাল বরাবর।

ঃ মশা মারি…। আয় খেলবি?

নিলিম যা বোঝার বুঝে গেছে। এক লাফে পাশের রুমে।

ঃ সন্তু কি আজকেও গাঁজা খেয়েছে?

ওপাশ থেকে কে কি বলল ঠিক মত শুনতে পাচ্ছি না। আমার পূর্ন মনোযোগ তখন পরের যুদ্ধ পরিকল্পনায়। তবে হাসির একটা হল্লা উঠল মনে হয়।

—– (অসমাপ্ত গল্প)

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply