একটা সময় ছিল মানুষ ইফতারের দাওয়াত দিত, এখন ইফতার পার্টি হয়। মানুষ আনন্দ ফুর্তি করে। কয়দিন পর ইফতারে ডিজেও হবে। সেহরি সবাই নিজের বাসায় খেত, ভোর রাতে তো আর দাওয়াত দেয়া যায় না। এখন সাজু গুজু করে ঢাকার হোটেলে সেহরি খেতে যায় একসাথে। যাক কোন সমস্যা নাই, মুমিন বান্দারা একাসাথে বসে খাওয়া দাওয়া করবে সোয়াবের বিষয়। চেক ইন হয়, ফটোসেশন হয়। তারপর সবাই মিলে একসাথে জামাতে সালাত আদায় করতে বায়তুল মুকাররাম যায়! যাক...
আমি আর কতটা মানুষ হলে বলো তুমি মানবী হবে?কতটা পথ গেলে বলো দূরত্ব কমবে,আর কতটা অভিমানে চাতক চোখে জল নামবে? কতটা সময় পেরিয়ে ঠিক ততটুকুই - ভালোবেসে সমুদ্র বা নদী হব! এখানে এক বুক কান্না রেখে পথিক চোখেচেয়ে চেয়ে পথ পানে ছায়া দেখে -কতটা দূরত্বে বলো প্রিয়মুখ হাঁটে?কতটা কান পেতে বল পায়ের শব্দেঘুম ভাঙ্গে মাঝরাতে, দরজায় কড়া কে নাড়ে? ঠিক কতটা পাথর হলে বলো পেরেকের ধার কমে যায়?কতটা শুন্য হাতে গোলাপের...
নিত্যদিনের ঝামেলা পূর্ন জীবন লেখকের জন্য নয়। তার কলমের গতি রোধ হয়ে যেতে পারে জগত সংসারের এরকম কোন কিছুতেই তার আসলে জড়াতে নেই।
ভালোবাসি এই কথাটি বলতে প্রেমিকের বেশ একটা অহংকার জাগে মনে। ভালোবাসতে পারার অহংকার। নিজেকে বাদে অন্য কাউকে প্রিয় ভাবার একটা অহংকার। ভালোবাসার মর্যাদাটাই এখানে।
ভীষন চাঁদের একলা পিঠে আমি দাগ কাটি -আমি বড় একলা ভাবি, একলা থাকি, ঘুমাই-হাসি,গল্প-মিতা, পথ-প্রান্তর ফুরোলেই বড়ো একলা খোলসে বসি।আমার বড় একলা আকাশ, একলা...
বইমেলা হচ্ছে না, কি ভীষন একটা যন্ত্রনা। বাজার-ঘাট, পিকনিক, ভ্রমন, বাস সব খোলা... শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর তার সাথের কার্যকম গুলো বন্ধ। ঘোড়ার ডিমের স্বাস্থ্য সচেতন আমাদের দেশের মানুষ।
বিষন্ন বাতাসে গোধূলির রঙ্গিন -মুছে যাক জীবন প্রদীপ, সূর্যের দিন। করতলে ভাঙে কদমের ফুল, পায়ের নিচে সর্ষে দানা,হাসতে মানা, গাইতে মানা- এক'জীবন সন্ধ্যায় চোখের বুকে...

দেলোয়ার জাহান

মনের একান্তে কিছু কথা থাকে যা কাউকে বলা যায় না। বলতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খায় আমাকে। সে সকল হাবিজাবি জীবন দর্শন আর কিছু অসময়ের কাব্য নিয়ে আমার লেখালেখির ভুবন।

জনপ্রিয় লেখা -