এতটা নির্লিপ্ততাও চাইনি, এতটা উদাসীন দৃষ্টিও না –
এতটা দীর্ঘশ্বাস নয়, পাজরে লেপ্টে থাকা ব্যথাও না
মানুষ হিসেবে যেটুকু পেলে মনে হয় বেঁচে আছি –
ঠিক সেটুকু অভিমান করে কাছে থেকো।

এতটা দেবী হতে যেও না, পুজোর মালায় নয় –
তোমাকে দেখতে চেয়েছি গোলাপ হাতে
দেখতে চেয়েছি খাবার শেষে তৃপ্তির ঢেকুড় তুলতে,
মানবী হয়ে হাত ছুয়ে পেলব কোমরে…।

ঠিক যতটা স্পর্শে মনে হবে বেঁচে আছি
নিঃশ্বাস নিচ্ছি এই ধুলো-রোদ মাখা বাতাসে।
সেটুকুই কাছে এসো –

জ্বরের শেষে মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দিও
মাঝরাতে চাঁদ দেখার লোভ তোমাকে মানায় না –
তুমি কবি নয়, বরঞ্চ আমার কবিতার পংক্তি হয়ে এসো
আমি রক্ত-মাংসের সেই ছন্দটাকেই ভালোবাসি।

ঈশ্বরের মত সীমাহীন ধৈর্য আমার নেই,
আমি স্নেহের কাঙ্গাল –
এ জন্মে ভালোবেসে যাব শুধু কপালে ঠোট ছোঁয়ালে।

ছায়া নয় বরং মানবী হয়ে এসো –
মেপে মেপে ততটাই ভালোবেসো –
যতটুকু পেলে মনে হবে বেঁচে আছি, স্বপ্নে নয়।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply