আমার ফিরতে বড় দেরি হয়ে যায়,
সব পাখি ঘরে ফেরে, আমি শুধু নীড় হারাই
আমার দেখা হয়না মমতায় বিছানো শিউলি ফুল-
আমি বুনো অর্কিডের আগুন বর্ণে মাতাল হই
হারিয়ে ফেলি শিমুলের ডাল আর কাঁঠাল চাপার সুবাস।
সবাই ঘরে ফেরে, আমি শুধু বিস্মৃত হই
আমার ভাঙনের সুরে আমি অ্যাটলান্টিক সমুদ্র তুলে আনতে গিয়ে-
হারিয়ে ফেলি শ্যাওলা দিঘির ঘাট।
আমার ফেরা হয় না-
আমি হারিয়ে যাই গ্রীক পুরাণে, দেবী আইসিসে
শুধু হারিয়ে ফেলি আমার উর্বর মাটির সোঁদা গন্ধ।
আবার যদি ফিরে আসি, যদি ফেরা হয় চেনা বটের ছায়ায়
তবে মানুষ করে দিও,
দেয়াল নয়, ভেঙ্গে পড়া বাতাস নয় …
এ মাটির একটা ঘাসফুল করে রেখে দিও পায়ের তলায়।
কবিতা
ফাগুনে প্রেম
দেখা হবে বলে বর্ষায় ভিজেছি বোগেনভিলিয়ার নিচে
আরেকটু পথ পেরুলেই একটা সাদা গোলাপ কেনার টাকা জমিয়ে ফেলব।
কর্পদকশুন্য প্রেমিকের শুধু এক কাপ আগুন গরম চা হলেই চলবে
উড়ে যাক বিকেল, আমি শুধু কিছুক্ষন তোমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে চাই।
গল্প
মাতাল
সিড়ি দিয়ে নামতে নামতেই হাতের ফোনটার দিকে একবার তাকাল রাসেল। অমিতাভের কল। ধরবে নাকি ধরবে না চিন্তা করতে করতেই ধরে ফেলল। মন মেজাজ খুব ভালো বা খারাপ না থাকলে অমিতাভ কখনও ফোন করে না ধরেও না। – কিরে কি অবস্থা? তোর কোন হদিস নাই। গত সপ্তাহেও কল করেছিলাম ধরিস নাই। রাসেল…
ম্যাজিক রাশেদ
রাশেদ বিশাল ড্রইং রুমের এ মাথা থেকে ও মাথা আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিল। তীক্ষ্ণ ব্যবসায়ীর দৃষ্টি তার। আনুমানিক চল্লিশ লাখ টাকার মালামাল আছে এইখানে। সৌখিন বলা যাবে না, তবে দামি জিনিস কেনার প্রতি একটা ঝোকঁ আছে মালিকের বোঝা যায়। বাসাটা কেমন যেন হোটেল হোটেল বানিয়ে ফেলেছেন…
রাস্তায়… (অসমাপ্ত গল্প)
লোকটা মাটিতে পড়ে যাবার পরও শাহেদ আরো দুটো লাথি দিল। মাপা লাথি পাজর বরাবর। থ্যাপ করে একটা শব্দ হল। একটা হাঁড় শিওর ভেঙ্গেছে। মরবে না কিন্তু কয়েকমাস ভুগতে হবে। তার সঙ্গী চার পাঁচ হাত দূরে পড়ে আছে। গলা চেপে ধরে এখনও শ্বাঁস নেয়ার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে। এরকম কষ্ট…





