কবিতা

বিচ্ছিন্ন জীবন – অবিচ্ছিন্ন প্রেম

কোন গোপন অসুখ নিয়ে প্রিয়ার কাছে আসিনি
আসিনি প্রিয় মুখে চুম্বনের দাগ এঁকে দিতে
গোপন কোন বাসনা নেই, অথবা অহেতুক অপরাধ।
আমার যে অংশটা অনাদরে মলিন হয়েছে
আর কোন মিহি প্রলেপ দাওনি যে ফ্রেমে,
শুধু তার অধিকার নিতে এসেছি।

তুমি প্রেমে পোড়ো না, স্বপ্ন দেখো না,
আতশবাজি উঁচুতে উঠে আবার নিচে গোত্তা খায় ক্ষনিকে।
তোমার প্রেম আতশবাজি-

যদি তার থেকেও বেশি হয় পূন্যের স্রোতে অবগাহন
যদি বিষাদের থেকেও বড় হয় অভিমান-
তবে ভালোবেসো না…
তোমার ঐ বন্ধন ছিন্ন করা চাহনি মেপে আমি জীবন চাইনি,
আমি কবিতার মত নিষিদ্ধ করেছি উপন্যাসেও তোমাকে।

সবাই বুকে একটা সাগর পুষে রেখে তৃষ্ণা জমায় না কোন চাতকের চোখ পানে
সবাই একটা পৃথিবী পকেটে পুরে তোমার গলিতে এসে দাঁড়ায় না ঠিক বারোটায়
কেউ কেউ শুধু একটা জামা পরে সপ্তাহ পাড়ি দেয়, এক বেলা খেয়েও হাসিমুখে বলে
– “ভালো আছি”।

সবাই প্রেমের কাঙ্গাল না, শুধু বাঁচতে চায়, আরো দু’কদম হাঁটতে চায় কবিতার সাথে।
সেই প্রচন্ড ক্ষমতাবলে, আমার উপর ন্যাস্ত অধিকারে
আমি ব্রহ্মাণ্ডের সকল কবিতা থেকে তোমাকে নির্বাসন দিলাম,
আর নিষিদ্ধ করলাম তোমাকে উপন্যাসে।

মন্তব্য