একদিন আমিও পড়ে রব এই শীতল আকাশের নীচে,
খুব ঠান্ডা তুষারপাত হবে সেদিন
গাঁয়ে গা লাগিয়ে পাখিরা জুবুথুবু হয়ে কাঁপবে
সেদিনের চাঁদ কুয়াশায় ঢাকা থাকবে।

নীরব কোলাহলে ভেসে যাবে চরাচর।
সমুদ্রে কোন গর্জন থাকবে না
কেউ মশাল জ্বালিয়ে আর খুঁজবে না
আটলান্টিকের পাড় থেকে ভেসে আসবে না কোন হাহাকার
পৃথিবীর পুরোটা ভেসে যাবে তুশারের চাদরে।

খুব ঠান্ডায় আমার হৃদ-স্পন্দন ধীর থেকে শুন্য হয়ে যাবে
আমি টুক করে এই আকাশের নীচে কুয়াশায় মিলিয়ে যাব
খুব সাদামাটা ভাবে মরে যাবো, চলে যাব সব কোলাহলের জঞ্জাল থেকে।

আমি যেমন তোমাদের জন্য মরে যাব, তোমরাও আমার জন্য মরে যাবে।
এরপর পৃথিবীকে শীতল চাদরে ডুবিয়ে হেরে যাব জীবনের কাছে।


জীবন যেমন সত্য, জীবনের কাছে চিরিদিনের জন্য ছুটি নিয়ে চলে যাওয়াটাও সত্য। এ যেন অনেকটা জীবনের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাওয়া। যারাই এসেছিল তারাই চলে গেছে মৃত্যু স্বাধীন হয়ে, জীবনের কাছে হেরে গিয়ে।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply