এলোমেলো যাপিত জীবন
এখানে যখন তখন সন্ধ্যা নামে
নামে যমদূতের মত কালো নিকষ আঁধার
এখানে রাতগুলো ভোর না হয়ে কুয়াশায় ঢেকে যায় দিগন্ত
ঘাসফুলের বুকে জমে যায় আকাশের কান্না।
এখানে যখন তখন সন্ধ্যা নামে
নামে যমদূতের মত কালো নিকষ আঁধার
এখানে রাতগুলো ভোর না হয়ে কুয়াশায় ঢেকে যায় দিগন্ত
ঘাসফুলের বুকে জমে যায় আকাশের কান্না।
আমাদের আবার দেখা হবে-
অনেক কাজ আছে বলেও দাঁড়িয়ে যাবো আরো অনেক্ষন
কারন এই বয়েসটায় আমাদের কোথাও যাবার থাকে না
নির্দিষ্ট করে কাউকে ভালোবাসার থাকে না
আমরা তখন বাহুডোরে কল্পনা করি সহস্র প্রেয়সীর… ।
তুই হাত বাড়ালেই রাস্তাটা হয়ে যাবে নদী
রিকশা হয়ে যাবে নৌকো, ছুঁয়ে দিস যদি-
ধূসর চোখে দেখব আকাশ, নীল সীমাহীন
তোর হাত ধরে জলে নামব সেদিন।
আমি জয়িতার চোখের দিকে তাঁকিয়ে আছি। বয়সে সে আমার থেকে বেশ ক’বছর ছোট হবে। কিন্তু এই বেগুনি শাড়িটায় তাকে আমার থেকেও বড় লাগছে। হটাত করে মনে হচ্ছে সে আমার চিন্তার থেকেও অনেক বড় হয়ে গেছে।
কবি বলেছিল …
কবিতা ফুরিয়েছে, কাগজের শেষ পাতা,
আসলে ফুরিয়েছে জীবন
বিশ্বাসের সেই বিন্দুটা।
কি বিশাল শুন্যতা বুকে নিয়ে ঘুরি-
সে তুমি জানো না।
সুমদ্র সমান অভিমানেও আমি
তোমার চোখের তারায় হেসেছি আপ্রাণ।
আমার দিবস কাটে বিবশ,
আর রাত্রি নেশাতুর।
আবার যদি ফিরে আসে, যদি ফেরা হয় চেনা বটের তলায়
তবে মানুষ করে দিও,
দেয়াল নয়, ভেঙ্গে পড়া বাতাস নয় …
এ মাটির একটা ঘাসফুল করে রেখে দিও পায়ের তলায়।
এ শহরটা আমার এতটা প্রিয় কেন জানো?এর প্রতিটা ধুলিকনা তোমার গায় মেখেছে সুবাসপ্রতিটি রাস্তায় ছিল তোমার পায়ের সন্তর্পণ আওয়াজ।এ শহরের আকাশ আমার অনেক নীলে-কিছুটা বিষাদ সেও মেখেছিল তোমার গালে। এ শহরের বাতাসে তোমার চুলের গন্ধআমার পোড় খাওয়া অতীত আর প্রথম যৌবনের চুম্বন,এ...
যদিওবা ফিরব বলে ফেরা হয়নি আর, ঘরছাড়া মন কি চায় সে পথের সন্ধান?যে পথে তুমি নেই, আমি নেই, মায়া নেই, আছে শুধু ক্লান্তিকর এক অভিমান। ভাবব না আর কোন প্রেমের গল্পভেবে ভেবে ঠিক করি ধুরছাই , যেটুকু জীবন আছে অল্প। এক নিমিষেই যে প্রেম, দিন থেকে হয় বিকেল আর রাত্রিতার সাথে...