আমার ফিরতে বড় দেরি হয়ে যায়,
সব পাখি ঘরে ফেরে, আমি শুধু নীড় হারাই
আমার দেখা হয়না মমতায় বিছানো শিউলি ফুল-
আমি বুনো অর্কিডের আগুন বর্ণে মাতাল হই
হারিয়ে ফেলি শিমুলের ডাল আর কাঁঠাল চাপার সুবাস।
সবাই ঘরে ফেরে, আমি শুধু বিস্মৃত হই
আমার ভাঙনের সুরে আমি অ্যাটলান্টিক সমুদ্র তুলে আনতে গিয়ে-
হারিয়ে ফেলি শ্যাওলা দিঘির ঘাট।
আমার ফেরা হয় না-
আমি হারিয়ে যাই গ্রীক পুরাণে, দেবী আইসিসে
শুধু হারিয়ে ফেলি আমার উর্বর মাটির সোঁদা গন্ধ।
আবার যদি ফিরে আসি, যদি ফেরা হয় চেনা বটের ছায়ায়
তবে মানুষ করে দিও,
দেয়াল নয়, ভেঙ্গে পড়া বাতাস নয় …
এ মাটির একটা ঘাসফুল করে রেখে দিও পায়ের তলায়।
কবিতা
এখন সন্ধ্যা নামুক
কিশোরীর মন খারাপ বিকেলের মত আকাশ পানে চেয়ে সংসারী বাউল পথিক হয়
বেহালায় দীর্ঘ সুর ওঠে, পুরনো শহরের গলি আর গোপন দেয়ালে দেয়ালে-
শ্যাওলা জমে কাঁচা হাতের লেখা মলিন হতে থাকে।
ওরা মানুষ হতে চায়
যারা পথে-ঘাটে ধর্মের কথা বলে, লোভ দেখায় ইন্দ্রজিতের আর ঈষৎ বৃহৎ ইমারতের
তারা অনবরত উলঙ্গ হয়।
তাদের অদ্ভুত শরীর তারা সফেদ কাপড়ে ঢাকার আপ্রান চেষ্টায় থাকে
তবু তাদের বারবার ন্যাংটো হতে হয়।
গল্প
ম্যাজিক রাশেদ
রাশেদ বিশাল ড্রইং রুমের এ মাথা থেকে ও মাথা আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিল। তীক্ষ্ণ ব্যবসায়ীর দৃষ্টি তার। আনুমানিক চল্লিশ লাখ টাকার মালামাল আছে এইখানে। সৌখিন বলা যাবে না, তবে দামি জিনিস কেনার প্রতি একটা ঝোকঁ আছে মালিকের বোঝা যায়। বাসাটা কেমন যেন হোটেল হোটেল বানিয়ে ফেলেছেন...
রাস্তায়… (অসমাপ্ত গল্প)
লোকটা মাটিতে পড়ে যাবার পরও শাহেদ আরো দুটো লাথি দিল। মাপা লাথি পাজর বরাবর। থ্যাপ করে একটা শব্দ হল। একটা হাঁড় শিওর ভেঙ্গেছে। মরবে না কিন্তু কয়েকমাস ভুগতে হবে। তার সঙ্গী চার পাঁচ হাত দূরে পড়ে আছে। গলা চেপে ধরে এখনও শ্বাঁস নেয়ার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে। এরকম কষ্ট...
দ্বিতীয় পৃথিবী (পর্ব -১)
আমাদের সচরাচর প্রানের সংজ্ঞায় হয়ত তাদের প্রানি হিসেবে আমরা মানতে পারব না কিন্তু তাতে তাদের কিছু যায় আসে বলে মনে হয় না। ক্ষুদ্র কিছু কার্বন ভিত্তির বস্তু বাদে আমাদেরকে তারা আর কিছুই ভাবে না।





