এই জলের মতন পায়ের উপর দিয়ে গড়িয়ে চলা সময় নদী
ইচ্ছে হয় এক দৌড়ে গিয়ে খুঁজি তোমায় যদি –
এই যে সবুজ ঘাস, পায়ের নিচে গুড়ো হয়ে যাওয়া ফুল,
এই যে হারিয়ে ফেলা কৈশোরের স্মৃতি আর ভুল –
এই যে কদম, ডালিয়া, বেলী, হাস্নাহেনা আর যুঁই,
ইচ্ছে করে দৌড়ে গিয়ে তোমায় আবার ছুঁই।

হাত মেললেই হয়ে যাই পাখির ডানা
একছুটে তোমায় ছুঁতে নেই মানা।
ধানের ক্ষেত, মেঠো পথ, বাঁশের খুটির উপর ফড়িং,
নারকেল পাতার চশমা আর ঘড়ি, দুরন্ত ঘুড়ির সুতো টানা –
হারিয়ে যাওয়া আমার তাল-সুপারির সীমানা।

এই যে সব ছেড়ে তোমায় ছুঁতে আসি,
ফিরব বলে বারবার পাশে বসি।
এই যে আঙ্গুলে ছুঁয়ে যায় দস্যিপনা –
কোলাহল থেকে একটু পাশে, কৈশোর থেকে দূরে,
তোমার চিবুকে লেগে থাকা জলকনা।

এভাবেও মানুষ হয়, এভাবেই বেঁচে আছি
দুরন্ত একটা আকাশ বুকে নিয়ে, সাতসমুদ্দুর পকেটপুরে
এই যে কার্নিশে কার্নিশে বৃষ্টির ফোঁটা নিয়ে
ঘরবন্দী আছি, ভালো নেই আবার ভালো আছি।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply