আমার যখন আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছে জাগে,
মনটা যখন শহর ধরে ছোটে…
তুমি তখন মগ্ন হয়ে… নখ কাটছ দাঁতের ফাঁকে।

আমার যখন বৃষ্টি ভেজার ইচ্ছে হয়
তুমি তখন মাতাল হাওয়ায় ভেসে ভেসে
ফিসফিসিয়ে শুনছ কি, বাতাস পানি কি কথা কয়?

আমার যখন মনটা উদাস, দুঃখেরা করে ফিসফাস,
মুখরিত হাজার অতীত – নীরব মনে
তুমি তখন মগ্ন হয়ে আঁকছ ছবি কার ক্যানভাসে?

আমি যখন পাতাল্পুরির গল্প পড়ি, পান্তাবুড়ির পান্তা খাই,
চাঁদের বুড়ির চরকা কাটি…
তুমি তখন পায়ের আঙুলে ভাংগছো বালু-মাটি।

আমি যখন শহর ধরে দেই তুলির আঁচড়,
আলপনাতে রাঙাই দেয়াল, গ্রাফিতি হয় তোমার উঠোন জুড়ে…
তুমি তখন মগ্ন কার খেয়ালে?

কোন হেয়ালিতে দেয়াল সেজেছো আমার শহরে?
কোন অভিমানে পাশ ফিরেছো ঘুমের ঘোরে?

আমার শহরের দেয়াল কথা কয়,
ছাদের উপরে যোছনারা অভিমানে রয়,
কিছু কবিতা না লেখা রয়ে যায়।

আমার শহরের দেয়াল অপেক্ষায় রয়…
আমার বিস্তীর্ন মাঠ – বিকেলের আলোয় –
দেয়ালের পরে দেয়াল হয়ে যায়।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply