আমার ফিরতে বড় দেরি হয়ে যায়,
সব পাখি ঘরে ফেরে, আমি শুধু নীড় হারাই
আমার দেখা হয়না মমতায় বিছানো শিউলি ফুল-
আমি বুনো অর্কিডের আগুন বর্ণে মাতাল হই
হারিয়ে ফেলি শিমুলের ডাল আর কাঁঠাল চাপার সুবাস।
সবাই ঘরে ফেরে, আমি শুধু বিস্মৃত হই
আমার ভাঙনের সুরে আমি অ্যাটলান্টিক সমুদ্র তুলে আনতে গিয়ে-
হারিয়ে ফেলি শ্যাওলা দিঘির ঘাট।
আমার ফেরা হয় না-
আমি হারিয়ে যাই গ্রীক পুরাণে, দেবী আইসিসে
শুধু হারিয়ে ফেলি আমার উর্বর মাটির সোঁদা গন্ধ।
আবার যদি ফিরে আসি, যদি ফেরা হয় চেনা বটের ছায়ায়
তবে মানুষ করে দিও,
দেয়াল নয়, ভেঙ্গে পড়া বাতাস নয় …
এ মাটির একটা ঘাসফুল করে রেখে দিও পায়ের তলায়।
কবিতা
এখন সন্ধ্যা নামুক
কিশোরীর মন খারাপ বিকেলের মত আকাশ পানে চেয়ে সংসারী বাউল পথিক হয়
বেহালায় দীর্ঘ সুর ওঠে, পুরনো শহরের গলি আর গোপন দেয়ালে দেয়ালে-
শ্যাওলা জমে কাঁচা হাতের লেখা মলিন হতে থাকে।
ওরা মানুষ হতে চায়
যারা পথে-ঘাটে ধর্মের কথা বলে, লোভ দেখায় ইন্দ্রজিতের আর ঈষৎ বৃহৎ ইমারতের
তারা অনবরত উলঙ্গ হয়।
তাদের অদ্ভুত শরীর তারা সফেদ কাপড়ে ঢাকার আপ্রান চেষ্টায় থাকে
তবু তাদের বারবার ন্যাংটো হতে হয়।
গল্প
No Results Found
The posts you requested could not be found. Try changing your module settings or create some new posts.


