আমি আর কতটা মানুষ হলে বলো তুমি মানবী হবে?
কতটা পথ গেলে বলো দূরত্ব কমবে,
আর কতটা অভিমানে চাতক চোখে জল নামবে?
কতটা সময় পেরিয়ে ঠিক ততটুকুই –
ভালোবেসে সমুদ্র বা নদী হব!

এখানে এক বুক কান্না রেখে পথিক চোখে
চেয়ে চেয়ে পথ পানে ছায়া দেখে –
কতটা দূরত্বে বলো প্রিয়মুখ হাঁটে?
কতটা কান পেতে বল পায়ের শব্দে
ঘুম ভাঙ্গে মাঝরাতে, দরজায় কড়া কে নাড়ে?

ঠিক কতটা পাথর হলে বলো পেরেকের ধার কমে যায়?
কতটা শুন্য হাতে গোলাপের কাঁটা ফোটে না?
ক্ষিদে লাগে না অভিমানে, কান্নায় আর জল গড়ায় না চিবুকে?
ঠিক ততটাই মানুষ থেকো আমার গহীন সন্তর্পনে,
গোপন মনে, বুকের অনেক গভীরে –

আমিও দুহাত পেতে রই তোমার হাতের স্পর্শে
কান পেতে রই প্রিয় নিঃশ্বাসে।
আর কতটা দূরত্ব কমলে বল তুমি হৃদস্পন্দন হবে
আমার শিরায় গোপন অসুখ হবে?

ঠিক কতটা দূরত্ব গেলে, কতটা সময় পরে
নিঃশাসে – প্রশ্বাস মিলিয়ে বলবে “কাছে এসেছি”।


লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply