পদতলে হিমালয় ভাংগে, তবু পাঁচিল পেরোতেই দীর্ঘশ্বাস,
হাতে হাত রেখে সমুদ্র পাড়ি দিয়েছি, তবু চেনা হয়নি
এক সাথে কেটেছে কৈশোর আর যৌবন, তবু বোঝা হয়নি
শোনা হয়নি অব্যক্ত আর্তনাদ আর রাতের ফিসফাস।

আমাদের দেখা হয়নি, কথা হয়নি, হাতে-হাত, আঙুলে-আঙুল রেখে –
বাতাসে কান পাতা হয়নি।
আমরা শিশিরে ঘাসের ডগার মুক্তো দেখিনি, ভোরের কুয়াশা দেখিনি,
পিঠাপুলি কাকে বলে তাও জানিনি।
আমাদের অনেকটা জীবন, না দেখাতেই চলে গেছে,
না বুঝেই বেঁচে ছিলাম এই মৃত্তিকার ধরনীতে।

আমাদের চলে যাবার সময় হয়েছে বারবার,
আমরা অপেক্ষায় থেকেছি – নতুন ভোরের
জানালার ফাঁকে রোদ গলে আমার নরম বিছানায় যেভাবে লুটায়,
পায়ের তলায় সেভাবেই হিমালয় ভেঙেছে, বরফ গলেছে –
আকন্ঠ ডুবে থেকেছি শীতল অভিমানে।

আমাদের জীবন ভেঙেছে, অভিমান জমেছে চরের মত,
আমরা আরো বেশি ডুবে গেছি মাটির নীচে।
হিমালয় গড়েছি শীতল অভিমানের।

পায়ের নীচে সব ভাঙে অহংকারে,
তবু নিরবতা ভাঙে না, চেনা হয় না, জানা হয় না।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply