একটা পাহাড় কিনতে চাই
একটা পাহাড় কিনব, তাই টাকা জমাচ্ছি
নিজের একটা পাহাড় হবে, ভাবতেই ভালো লাগে
কোন প্রিয়তমাকে উপহার দেবার জন্য নয়
শুধু নিজের জন্য, একান্তই আমার একটা জঙ্গল আর লুকিয়ে থাকার জায়গা হবে।
একটা পাহাড় কিনব, তাই টাকা জমাচ্ছি
নিজের একটা পাহাড় হবে, ভাবতেই ভালো লাগে
কোন প্রিয়তমাকে উপহার দেবার জন্য নয়
শুধু নিজের জন্য, একান্তই আমার একটা জঙ্গল আর লুকিয়ে থাকার জায়গা হবে।
রাস্তায় গিয়ে আরো কিছুক্ষণ হিমু সেজে হাঁটাহাঁটি করতে পারি
যদিও মাঝরাতের পুলিশেরা বড্ড বেরসিক, পৃথিবীর নিঃসঙ্গতা বোঝে না,
ধরলেই সক্রেটিসের মত প্রশ্ন করবে, কে তুমি? কোথায় যাও?
ধ্যাত্তেরি! আমি কি অতশত জানি?
আমি কে, কোথায় যাবো - এই উত্তর খুঁজতেই তো রাস্তায় নেমেছি।
খুব কাছের একটা মানুষ খুঁজছি
তার কাছে একটা চোখ বিক্রি করব, আমার খুব একটা লাগছে না ইদানিং
পড়ে থাকলে অবহেলায় নষ্ট হবে
তার থেকে স্বজনের ভালো হোক, দৃষ্টি ফিরুক
প্রিয়জনের সন্ধানে আছি তাই।
তোমাকে দেখলেই আমার ব্যস্ততার কথা মনে পড়বে
আমি টেবিলে বসে কাগজে খুব দাগাদাগি করে যাবো
নতুন কেনা বারো টাকার বলপয়েন্ট কিছুতেই মসৃন হচ্ছে না
সাদা কাগজে অহেতুক কালি লেপ্টে যাবে, কিন্তু চোখে চোখ রাখবো না।
এই যে একা থাকার মধ্যেও একটা ছন্দ আছে-
সেটা কি আগে বুঝেছিলাম?
এই যে সারাদিন মন খারাপ থাকলেও ঘড়ির কাঁটা ছুটে যায়
কেউ কি বলেছিলো?
শেষবার যার চোখে কুয়াশা দেখেছিলাম, চোখের তারায় সত্য প্রেম
তাকে আরেকবার দেখতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে।
একটাই প্রশ্ন করতে চাই -
শীত কোথায় গেলো, আমার হিমহিম মায়া চাদর কই?
তুমি আমি সব নামহীন গোত্রের মত
হারিয়ে গেছি ক্ষমাহীন মুহুর্তের যত অনাচারে।
আমি নিজেকে ঠকিয়েছি যেন তুমি জিতে যাও
কিন্তু বরমাল্যে তুমি বেছে নিয়েছো ভিন্নজন।
আমি নাম কেটে দেই, আবার লিখব বলে নাম কেটে দেই।
কিছুই হোলো না
আমি অভাজনে প্রেম করে নিঃস্ব হলাম,
মানুষকে ভালোবেসে আমি আজন্ম পাপী হলাম।
জীবনের হাঁটে সওদা করতে গিয়ে
কিছু দোকানি মাপে ভুল দেয়, কিছু ক্রেতা ঠকে
আসলে মানুষ অন্যকে ঠকায় না, নিজেই শেষে ঠকে যায়।
ধরো এক কাপ চা হাতে নিয়ে আমি বারান্দায় বসেছি
চড়ুই পাখির খড়কুটো নিয়ে মারামারিটা সকালে বেশ উপভোগ্য
কিংবা, ধরো এমনিতেই চোখ বন্ধ করে আমার প্রিয় চেয়ারটায় একটু স্বপ্ন দেখি
কি ভাবি?