Japani Doll (জাপানী ডল) – ওয়েব সিরিজ রিভিউ

Japani Doll (জাপানী ডল) - ১৮+ ওয়েব সিরিজ
  • গল্প
  • অভিনয়
  • গ্রাফিক্স
  • চরিত্র
  • মিউজিক
  • সিনেমেটোগ্রাফি
4.2

জাপানী টয় বনাম জাপানী ডল

সব কিছুই ভালো, তারপরেও কি যেন একটা মিসিং এই ওয়েব সিরিজে। যারা প্রথমে জাপানী টয় ওয়েব সিরিজ দেখেছেন তারা বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাচ্ছি। সেই, ডায়লগ, অভিনেতা, অভিনেত্রী সবই আছে কিন্তু কোথাও যেন একটা সুর কেটে গেছে।

প্রথম পর্বের যে সারকাজম লেভেল ছিল, এই পর্বে এসে মানে জাপানী টয় থেকে জাপানী ডল পর্যন্ত আসতে আসতে সেটা ভাড়াঁমোতে রুপান্তরিত হয়েছে। এই তাড়াহুড়োটা না করলেও পারতেন পরিচালক।

ওয়েব সিরিজ: জাপানী ডল (Japani Doll)
অভিনয়ে: রাজদ্বীপ গুপ্তা, ঈশা সাহা, কামলিকা ব্যানার্জী
ডিরেক্টর: সৌরভ চক্রবর্তী

কাহিনী সংক্ষেপঃ

জাপানী টয় যারা দেখেছেন তারা গল্প মোটামুটি ভাবে আন্দাজ করে নিতে পারছেন। যেহেতু এই ওয়েব সিরিজ এর মূল প্রতিপাদ্যা বিষয় হল যৌনতা নিয়ে বাঙ্গালীর হিপোক্রেসীর মুলে আঘাত করা, তাই গল্প সেই একই ধাঁচে এগিয়েছে।

১ম সিজনে (জাপানী টয়) জয় মানে ডিলডো কুমার, তার ব্যবসায় লস খায়। আসলে ব্যবসা সে গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয় পরিবার আর তার এলাকার এম.এল.এ জন্যে। সে এবার বাসা ভাড়া নিয়েছে নতুন জায়গায়।

এবার সে সেক্স টয় না বেচে সেক্স ডল বিক্রিতে নামে। প্রথম দিকে তার বাবা এবং পরিবারের লোকজন আন্দাজ করতে না পারলেও সে পরে সবার কাছে ধরা পড়ে যায়। তার পেছনে আবার সেই পুলিশ আর নেতা লাগে ব্যবসা বন্ধ করার জন্য।

খারাপ লেগেছে এবারের সিরিজটা সেটা বলতে পারব না। তবে প্রথমবারের সাথে যদি তুলনা করি তবে কিছুটা ভাঁড়ামো চলে এসেছে জাপানী ডল সিরিজে। ১ম সিজনে যা ছিল সুক্ষ সারকাজম এবার সেটা কেন যেন স্থুল জোকারিতে পরিনত হয়েছে। হয়ত তাড়াহুড়া একটা কারন। অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়েছে।

গ্রাফিক্স, মিউজিক সব দিক থেকেই প্রথম সিজনের থেকে ভালো করার প্রবনতা লক্ষণীয়। কিন্তু মূলে যে গল্প সেখানেই কেমন যেন একটা ম্যাড়মেড়ে ভাব চলে এসেছে। প্রচুর মজার মজার ডায়লগ আছে, খিস্তি আছে কিন্তু চমকটা আর ধরে রাখা যায়নি।

দেখুন, সময় মন্দ যাবে না। তবে যদি ১ম সিজন যদি না দেখে থাকেন তবে আগা মাথা কিছুই বুঝবেন না। আর চরিত্রগুলোর আমুল পরিবর্তনের রহস্যও খুঁজে পাবেন না।

Leave a Reply