যা হবার তা তো হবেরে ভাই…
কে কবে আটকাতে পেরেছে তাই?
এসব রঙ্গ দেখে তাই হাত তালি মেরে যাই-
রোজায় হচ্ছে ব্যাপক সংযম পর্দার আড়ালে
কেউ হানা দেয় দোকানে, কেউ আড়তে ভেজালের খোঁজে-
ভেজাল মানুষে যে ভরে গেছে সারা দেশ তা কে দেখে?

সংযমে আছে ব্যবসায়ী, সংযমে পুলিশ আর সরকারী কর্মচারী
সংযম দেখে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে দু-একটা ঘুষি মারি।
ধর্ম তোরে পারেনি শোধাতে, আইন তুই বিক্রি করিস
সন্দেহ হলেই বলিস তুই অমুক দল করিস।

আস্তিক-নাস্তিক সবাই আছে এককাতারে
ঘুষ নিতে গেলে চেতনা পকেটে পোরে
কেউ দেয়, কেউ নেয় এই যা তফাত-
অপরাধী আমরা সবাই, একই বাঙ্গাল জাত।


[বিঃদ্রঃ এটাকে ঠিক কবিতা বলা যাবে না। ছড়া হলেও হতে পারে। আবোল তাবলের লেখা। রমজান যে সংযম শেখায় মানুষকে, অন্তত শেখানোর কথা ছিল, তার সিকিভাগও বাঙ্গালী মনে রাখে না]

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

1 COMMENT

Leave a Reply