vule-gechi-kobe

ভুলে গেছি শেষ কবে,
এক পেয়ালায় দিয়েছি চুমুক।

ভুলে গেছি,
আয়নায় দেখা প্রিয় মুখ।

ভুলে গেছি কখন,
রাত জেগে জেগে ভোর হয়।

ভুলে গেছি অন্তর্জালের তুমি,
শুধু মনে থাকে অহংকারের উচ্চ ভূমি।

ভুলে থাকি যে জলে ডুবে থাকি আমি…
সে জলে আগুন জ্বালাও তুমি।


 

এই এক জীবনে কত কিছু ভুলে যাওয়া হয়। প্রিয় কবির কবিতার পংক্তি, ফেলে আসা শৈশবের বন্ধু, কৈশোরের রোমাঞ্চ, যৌবনের উচ্ছাস, প্রথম চুম্বন, কিশোর পাশা, রবিন আর মুসা। ভুলে যাই শুন্য পকেটের অদম্য সাহস আর একশ টাকার অহংকার।

ভুলে গেছি, অনেক কিছু ভুলে গেছি। তুমি-আমি, গাছতলার ছায়া, রিকশা বেড়ানো, পাবলিক লাইব্রেরী, কত কিছু ভুলে গেছি। জীবনটাই ভুলে যাবার। মনে থাকে শুধু ব্যস্ততা।

এখন ব্যস্ততাই জীবন, মনে থাকে বাজার, বাসা ভাড়া আর রাতের অনিদ্রা। তবু মাঝে মাঝে মাঝরাতে স্মৃতিরা ফিরে আসে হাজার বছর আগের ভুতের মত। মৃত … কিন্তু অমলিন আত্মা।

পাড়া বেড়ানো বুনো অবাধ্য কিশোরের দল এক সময় বড় হয়। দায়িত্বের ভারে নুয়ে পড়ে তাদের বিপ্লবের স্বপ্ন। এই শহর এক সময় বুড়ো হয়। রাত গুলো আরো দীর্ঘ হয়। দীর্ঘ হয় আমাদের মিছে বড় হয়ে ব্যস্ত হবার স্বপ্ন।

আমরা বড় হতে চাইনি, আমরা স্বাধীনতা চেয়েছিলাম। ভুলেই যাচ্ছি শৈশব আর কৈশোর কত রঙ্গিন ছিল।

লেখালেখির শুরু সেই স্কুলে থাকতেই। তখন বিভিন্ন দেয়ালিকা আর কিশোর পত্রিকায় নিয়মিত লিখতাম। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার ফেরা লেখালেখিতে। মূদ্রনে ভীষন অনীহা আমার। প্রযুক্তি সেই সুবিধা দিয়েছে আমাকে। প্রযুক্তি প্রেমিক বলে আমার লেখায় বারবার চলে আসে এই বিষয়গুলো। আমার সাহিত্য ভাবনা, ঘোরাঘুরি আর কিছু ছবি নিয়ে। একদম সাদামাটা একজন মানুষের মনের কোনে কি উঁকি দেয়?

Leave a Reply